বোকো হারামের হত্যাযজ্ঞ দেখতে গেলেন নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট

পটুয়াখালী ওয়েব রিপোর্ট॥

 নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট গুডলাক জনাথন বৃহস্পতিবার আকস্মিকভাবে বোকো হারাম আন্দোলনের কেন্দ্রস্থল পরিদর্শন করেন। নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় দু’টি শহরে ইসলামপন্থী যোদ্ধাদের নির্মম হত্যাযজ্ঞের দৃশ্য স্যাটেলাইটে দেখানোর পর তিনি সেখানে যান।
জনাথন বোর্নো রাজ্যের রাজধানী মাইদুগুরিতে তিন ঘন্টা সময় কাটান এবং বোকো হারামের হত্যাযজ্ঞের হাত থেকে প্রাণে বেঁচে যাওয়া লোকজনের সাথে সাক্ষাৎ করেন। উল্লেখ্য, বোকো হারামের বিগত ছয় বছরের সহিংসতার ক্ষেত্রে এটি ছিল তাদের সবচেয়ে ভয়াবহ হামলার ঘটনা।
উত্তরাঞ্চলীয় বোর্নো রাজ্যের বাগায় ৩ জানুয়ারির হামলার ঘটনায় পালিয়ে গিয়ে একটি শিবিরে আশ্রয় নেয়া প্রায় ৫ হাজার লোকের সঙ্গে সাক্ষাতকালে তিনি বলেন, তার নিরাপত্তা প্রধানরা বোকো হারাম নিয়ন্ত্রিত সকল এলাকা খুব শিগগিরই পুনরুদ্ধার করা হবে বলে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।
ঘরছাড়া এসব লোকের উদ্দেশে জনাথন বলেন, ‘আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই যে, আপনারা খুব শিগগিরই আপনাদের বাড়িতে ফিরতে পারবেন।’ উল্লেখ্য, নাইজেরিয়ায় আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে জনাথন দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করছেন।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ সংস্থা জানায়, নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় বাগা এবং ডরন-বাগা শহরে হামলার আগের ও পরের ছবি দেখে তারা মনে করছে সেখানে সাড়ে তিন হাজারের মতো ঘরবাড়ি ধ্বংস করা হয়েছে, যা থেকে এই হামলার নৃশংসতা সম্পর্কে একটা ধারণা পাওয়া যায়।
সংস্থাটি জানায়, বোকো হারামের গত ছয় বছরের বিদ্রোহের সময়ে এটাই সবচেয়ে বড় হামলার ঘটনা, যাতে প্রায় দুই হাজার মানুষ নিহত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বাগা এবং ডরন-বাগার ওপর থেকে দুই দফায় ছবিগুলো নেয়া হয়। এক্ষেত্রে ২ জানুয়ারি প্রথম দফায় এবং ৭ জানুয়ারি দ্বিতীয় দফায় ছবি নেয়া হয়। 

পটুয়াখালী ওয়েব/২০১৫/অপ

তারিখ : ২০১৫-০১-১৬ সময় : ১৪:৪২:৪৯ বিভাগ: বিদেশ