দশমিনায় জমি-জমা বিরোধ: ১৪৪ ধারা নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ

পটুয়াখালী ওয়েব রিপোর্ট॥

 নিপুণ চন্দ্র: পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা সদরে জমি-জমা বিরোধে এক অধ্যক্ষের সেমি-পাকা বসত ঘরের বারান্দায় খোলা পায়খানা নির্মাণ করে সন্ত্রাসীরা। ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, চরহোসনাবাদ সিনিয়র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাও. নুরে আলম সিদ্দিকী উপজেলা সদরের সবুজবাগ এলাকার ১০ নং খতিয়ানভুক্ত ১০৫ দাগের আ: আজীজ ফকিরের সেমি পাকা বসতঘরসহ ৯ শতাংশ জমি পাঁচ বছর পূর্বে প্রায় সাড়ে ৬ লক্ষ টাকা মূল্যে ক্রয় করে। ওই বাসা-জমি ক্রয়ের পর অধ্যক্ষ মাও. নুরে আলম সিদ্দিকী নিজ নামে ৭২৩ বাই-খতিয়ান করিয়ে বসবাস করে আসছে। প্রায় দেড় মাস পূর্বে অধ্যক্ষ মাও. নুরে আলম সিদ্দিকী বাড়ির প্রাচীর নির্মাণকালে কালাম প্যাদা গং ও নিজাম উদ্দিন প্যাদা গং নিজেদের ওই জমির ওয়ারিশ পরিচয় দিয়ে স্বউদ্যেগে সালিশ বৈঠকের আয়োজন করে। সালিশ বৈঠকে কালাম প্যাদা গং ২ লাখ টাকা ও নিজাম উদ্দিন প্যাদা গং ৩ শতাংশ জমি দাবি করে। ওই টাকা ও জমি না দেয়ার জের ধরে শুক্রবার বিকালে অধ্যক্ষের বসত ঘরের বারান্দায় কালাম প্যাদা গং ও নিজাম উদ্দিন প্যাদা গং খোলা পায়খানা নির্মাণ করে। এ বিষয় ভুক্তভোগী অধ্যক্ষ মাও. নুরে আলম সিদ্দিকী বলেন, ১৯৯০ সালে নির্মিত বাসাসহ জমি ক্রয় করি। ১০৫ নং দাগে অনেক খালি জমিও রয়েছে তবুও আমার দখলীয় আংশিক জমিতে প্রায় ২৫ বছর পর ঝামেলা তৈরী করছে। খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন উপজেলা সদরে প্রতিটি বাড়ি নির্মাণে সংঘবদ্ধ দলটি একাধিকবার চাঁদা নেয়।

অপরদিকে, উপজেলার চরহোসনাবাদ এলাকায় খাদ্য গুদাম সংলগ্নে ৭১ খতিয়ানে ৭১১ ও ৭১২ নং দাগে বিএনপি নেতা পিএম রায়হান বাদলের ৫৬ দশমিক ২৫ শতাংশ জমি দখলে নেবার উদ্দেশ্যে স্থানীয় আ: রব সরদারের ছেলে বেল্লাল হোসেন সরদার সন্ত্রাসী লেলিয়ে দেড় শতাধিক মেহগনি, সুপাড়ী, চাম্বুল, রেইন্ট্রি গাছ কেটে ফেলে। বৃহস্পতিবার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের দেয়া ১৪৪ ধারা নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করে গাছ কাটার ঘটনাসহ বাদালের বাসা-জমির চারদিকে বেল্লাল হোসেন শুক্রবার প্রাচীর নির্মাণের কাজ করছে।

পটুয়াখালী ওয়েব/২০১৫/অপ

তারিখ : ২০১৫-০১-১৭ সময় : ০১:৩২:০০ বিভাগ: দশমিনা